ছবি : প্রতিদিনের কক্সবাজার
# চকরিয়ার জনসভায় প্রধানমন্ত্রী #
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়ককে ৪ লেন থেকে ৬ লেনে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১৩ জুন) রাতে কক্সবাজারের চকরিয়ায় আয়োজিত জনসভায় বক্তব্যকালে এই ঘোষণা দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ২৫ বছরে কক্সবাজারের গুরুত্ব অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। কয়েকদিন পরেই মাতারবাড়ী বন্দর চালু হবে। আগামী দিনে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কক্সবাজার-চট্টগ্রাম সড়কটি অন্তত ৬ লেন হওয়া উচিত। এ সময় কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে ৪ থেকে ৬ লেনে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়ে শিগগির এর কাজ শুরু হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
লবণ চাষিদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, লবণ চাষিরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের সঠিক দাম পায় না। আগামী কিছুদিনের মধ্যে আমরা একটি দাম নির্ধারণ করব, যাতে লবণ চাষিরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায়।
প্রস্তাবিত বাজেটের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দু’দিন আগে আমরা বাজেট উত্থাপন করেছি। যারা দেশ সম্পর্কে চিন্তা করে তারা বলেছে- এই বাজেটে দেশের মানুষের উপকার হবে। এই বাজেট জনগণের পক্ষের বাজেট। বাজেটে নিত্যপণ্যের ওপর ট্যাক্স উঠিয়ে নেয়া হয়েছে। কিন্তু কিছু কিছু মানুষ বাজেটের বিপক্ষে রাস্তায় নেমে মিছিল করেছে। যারা জনগণের বাজেট নিয়ে সমালোচনা করে, তারা জনগণের জন্য রাজনীতি করে না।বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো বাজারে কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে সকালে যখন আমি ঢাকা থেকে প্লেনে উঠলাম, প্লেনে পত্রিকা থাকে, আমি পত্রিকাগুলো দেখলাম কী কী নিউজ আছে। পত্রিকাগুলোর মধ্যে দেখলাম সবগুলো পত্রিকা কমবেশি একটি নিউজ করেছে যে, প্রতিবছর বাজেট উপস্থাপনের পরদিন বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যেত। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে গত পরশুদিন বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি। তিনি বলেন, যেই বাজেট উপস্থাপন করলে জিনিসের দাম বাড়ে না, সেই বাজেট জনগণের পক্ষের বাজেট। এই বাজেটে আমরা বিভিন্ন ওষুধপত্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন চিকিৎসার যে বিষয়গুলো ছিল, সেগুলোর ওপর থেকে আমরা ট্যাক্স কমিয়ে এনেছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বাজেটে কিডনি ডায়ালাইসিসের ওষুধ থেকে কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর ফলে প্রতিটি ডায়ালাইসিসের রোগীদের ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা সাশ্রয় হবে। হার্টের বাইপাস ও স্টেন্টিংয়ে আগে যেখানে সোয়া লাখ টাকা খরচ হতো, তা কমে এখন প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকায় নেমে আসবে। একইভাবে চোখের লেন্সের ওপর থেকেও কর প্রত্যাহার করা হয়েছে, যা বয়স্ক ও অবসরপ্রাপ্ত মানুষের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক হবে।