স্টাফ রিপোর্টার :
সন্ত্রাসী গ্রেফতার, দেশি-বিদেশি অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গুলি উদ্ধার এবং হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেফতারে সাহসিকতা ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম সাহসিকতা পদক-২০২৫-এর জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন পুলিশ পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া।
জানুয়ারি ২০২৫ থেকে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত চট্টগ্রামের রাউজান থানা ও কক্সবাজারের রামু থানায় দায়িত্ব পালনকালে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে নেতৃত্ব দেন তিনি। দায়িত্ব পালনকালে সন্ত্রাস দমন, অস্ত্র উদ্ধার এবং বিভিন্ন মামলার আসামিদের গ্রেফতারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
রাউজান থানায় দায়িত্ব পালনকালে নোয়াপাড়া এলাকায় জুমার নামাজের সময় প্রকাশ্যে গুলি করে শুটকি ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হত্যার ঘটনা ঘটে। ওই মামলার প্রধান আসামি ও শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুনকে ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান পরিচালনা করে বিদেশি রিভলভারসহ গ্রেফতার করেন মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া।
এ ছাড়া চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হানের একাধিক সহযোগীকেও বিদেশি অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেফতার করা হয় তার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে। এসব অভিযানে ১২টি বিদেশি অস্ত্র ও প্রায় ৫০০ রাউন্ড বিভিন্ন ধরনের গুলি উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় প্রায় ৩০টি অস্ত্র মামলা দায়ের করা হয়।
দায়িত্ব পালনকালে সন্ত্রাসী, হত্যা মামলার আসামিসহ বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারেও সক্রিয় ভূমিকা রাখেন তিনি। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে পুলিশের দূরত্ব কমিয়ে জনবান্ধব পুলিশি সেবা নিশ্চিত করতেও কাজ করেন মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া।
পুলিশের দায়িত্ব পালনে সাহসিকতা ও গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এর আগেও ২০২৪ সালে আইজিপি ব্যাজ লাভ করেন পুলিশ পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া।
সন্ত্রাস দমন, অস্ত্র উদ্ধার ও অপরাধীদের গ্রেফতারে ধারাবাহিক ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে এবার পিপিএম সাহসিকতা পদক-২০২৫-এর জন্য তার চূড়ান্ত নির্বাচনকে পুলিশের মাঠপর্যায়ের দায়িত্ব পালনে সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।